একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম
(শিক্ষাবর্ষ ২০২৪-২৫)

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সময়

সাধারণ নিদের্শনাবলী

ভর্তির যোগ্যতা ও গ্রুপ নিবার্চন

ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া

মেধামান নির্ধারণ প্রক্রিয়া

ভর্তি ফলাফল ও মাইগ্রেশন

Important Times and Date
(গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও সময়)

ক্রমিক নংবিষয়তারিখ থেকে
৬.১ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ২৬/০৫/২০২৪ (রবিবার)
৬.২আবেদন যাচাই, বাছাই ও অপত্তি নির্ধারণ১২/০৬/২০২৪ (বুধবার)
৬.৩শুধুমাত্র পুনঃনিরীক্ষণে ফলাফল পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ১২/০৬/২০২৪ (বুধবার)
৬.৪পছন্দক্রমে পরিবর্তনের সময়১২/০৬/২০২৪ (বুধবার)
৬.৫১ম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ২৩/০৬/২০২৪ (রবিবার বিকাল ৮:০০ টা)
৬.৬শিক্ষার্থীদের নির্বাচন নিশ্চিতকরণফল প্রকাশের পর থেকে ২৯/০৬/২০২৪ (শনিবার রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত)
৬.৭২য় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ৩০/০৬/২০২৪ (রবিবার)
৬.৮পছন্দক্রমে অনুযায়ী ১ম মাইগ্রেশনে ফল প্রকাশ০৪/০৭/২০২৪ (বৃহস্পতিবার রাত ৮:০০ টা)
৬.৯২য় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণের ফল প্রকাশ০৪/০৭/২০২৪ (বৃহস্পতিবার রাত ৮:০০ টা)
৬.১০২য় পর্যায়ের নির্বাচন নিশ্চিতকরণ০৫/০৭/২০২৪ (শুক্রবার)
৬.১১৩য় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ০৯/০৭/২০২৪ (মঙ্গলবার)
৬.১২পছন্দক্রমে অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনে ফল প্রকাশ১২/০৭/২০২৪ (শুক্রবার রাত ৮:০০ টা)
৬.১৩৩য় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণের ফল প্রকাশ১২/০৭/২০২৪ (শুক্রবার রাত ৮:০০ টা)
৬.১৪৩য় পর্যায়ের নির্বাচন নিশ্চিতকরণ১৩/০৭/২০২৪ (শনিবার)
৬.১৫ভর্তি১৫/০৭/২০২৪ (সোমবার)
৬.১৬ক্লাস শুরু৩০ জুলাই, ২০২৪ (মঙ্গলবার)

General Instruction
(সাধারণ নিদের্শনাবলী)

গণপ্রজা তন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সকল কলেজ/মাদ্রাসার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ/সমমান শ্রেণীতে ভর্তির জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে (অনলাইন) আবেদন করা যাবে।

২৬ মে হতে ১১ জুন, ২০২৪ তারিখের মধ্যে একাদশ/সমমান শ্রেণীতে ভর্তির জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে (অনলাইন) আবেদন করা যাবে। অনলাইন আবেদন পোর্টালঃ www.xiclassadmission.gov.bd

ভর্তি সংক্রাস্ত সকল কার্যক্রমের মেয়ার সময়সূচি, ভর্তি নির্দেশিকা, আবেদনের নিয়মাবলী এবং ফলাফল নির্ধারণীতে ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd থেকে জানা যাবে।

এই ভর্তি নির্দেশিকার যে কোন ধারা/নিয়মাবলীর সংশোধন, সংযোজন বা বাতিল করার অধিকার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

অনলাইন আবেদন পোর্টালে মাধ্যমে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (কলেজ/মাদ্রাসা) আবেদনের জন্য ১৫০/- (সার্ভিস চার্জ ব্যতীত) আবেদন ফি প্রযোজ্য হবে। আবেদন ফি অনলাইন আবেদন পোর্টালে মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। অনলাইন আবেদন পোর্টালে অন্তর্ভুক্ত পেমেন্ট গেটওয়ে (সোনালী সেবা এবং SSLCOMMERZ) মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক, কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ, নগদ, রকেট, ইত্যাদি) ব্যবহার করে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।

সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা যাবে, তবে – একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিফট/ভার্সনর্স/গ্রুপে আবেদন করা যাবে।

ইন্টারনেট (অনলাইন) আবেদনে শিক্ষার্থীর কোন তথ্য অসত্য, ভুল বা অসত্য বলে প্রমাণিত হলে তার আবেদন/চূড়ান্ত ভর্তি বা তিলকরণের অধিকার শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

অবদেনকারী শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট নীতি মালা অনুযায়ী কোনো কোনোটার জন্য যোগ্য হলে অনলাইন আবেদনের সময় তা যথাযথভাবে উল্লেখ করবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভর্তির সময় যথাযথ ডকুমেন্ট দাখিল করবে। কলেজ নির্ধারণের সময় শিক্ষার্থীর অনলাইন আবেদনে উল্লিখিত কোটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবেচিত হবে। প্রয়োজনে, মাইগ্রেশন সর্বদা দায়িত্বে দাখিলের পছন্দমত প্রতিষ্ঠানের উপরে নিয়ে নিজেরা অনলাইনে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বা বদ ৩৩৫/- টাকা (সার্ভিস চার্জ ব্যতীত) জমা দিয়ে নিজেরা নির্বাচন করতে পারবে। এক জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ২ (দুই) বা র স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশনে র জন্য বিবেচিত হবে। প্রয়োজনে, মাইগ্রেশন সর্বদা দায়িত্বে দাখিলের সময় যথাযথ ডকুমেন্ট দাখিল করতে ব্যর্থ হলে ভর্তি বা তিলকরণ হবে।

প্রথমবার অনলাইন আবেদনের সময় শিক্ষার্থীকে অনলাইন আবেদন পোর্টালের মাধ্যমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এই জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথমে ইডু আইডি তে নিবন্ধন করতে হবে। ইডু আইডি তে নিবন্ধন ফরম পূরণ করার সময় শিক্ষার্থীকে নিজের/অভিভাবকের একটি মোবাইল নম্বর দিতে হবে। মোবাইল নম্বরটি সঠিকভাবে প্রদান করা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ পরবর্তীতে আবেদনে এবং ভর্তি সংক্রান্ত এই নম্বরটির প্রয়োজন হবে এবং ভর্তি সম্পর্কে তথ্য তা এই নম্বরে পাঠানো হবে। ইডু আইডি সফলভাবে তৈরি হলে প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি অস্থায়ী পাসওয়ার্ড ও প্রদত্ত ইমেল ঠিকানা সাথে নিজের ইউজার আইডি পেয়ে যাবে।

অনলাইন আবেদন পোর্টালে যদি কোনো ত্রুটি হয় এর জন্য শিক্ষার্থীরা নিজেরা অনলাইনে অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্রয়োজনে আবেদনের তথ্য পরিবর্তন করতে পারবেন।

ভর্তি পদ্ধতি সম্পর্কে যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুনঃ www.xiclassadmission.gov.bd

Application Eligibility
ভর্তির যোগ্যতা ও গ্রুপ নিবার্চন

২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দেশের যেকোন শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ ২০২৪-২০২৫ শিক্ষা বর্ষে নীতি মালার অন্যান্য বিধানা বলি পূরণ সাপেক্ষে কোন কলেজ/সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাদশ/দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে। এছাড়া উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণসহ অন্যান্য বছরের শিক্ষার্থীরা ও ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে।

বিদেশী কোন বোর্ড বা অনুরূপ কোন প্রতিষ্ঠান হতে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক তার সনদের মান নির্ধারণের পর উপবিধান (১.১) এর অধীনে ভর্তির যোগ্য বিবেচিত হবে।

গ্রুপ নির্বাচন

সাধারণ শিক্ষা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রেঃমাদ্রাসা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রেঃ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রেঃ
(ক) বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপে র যেকোন টি। তবে বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী অন্য গ্রুপে একবার ভর্তি হওয়া র পর পরবর্তীতে আর বিজ্ঞান গ্রুপে প্রত্যাবর্তন করতে পারবেন না;

(খ) মানবিক গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপের যেকোন একটি এবং

গ) ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক গ্রুপে র যেকোন টি।
(ক) বিজ্ঞান গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে র বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে র বিজ্ঞান, সাধারণ এবং মুজাব্বি দ মাহির গ্রুপে র যেকোন টি;
(খ) সাধারণ গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে র মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে র সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ মাহির গ্রুপের যেকোন টি;
(গ) মুজাব্বিদ মাহির গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে র মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে র সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বিদ মাহির গ্রুপ র যেকোন টি;
(ঘ) দাখিল (ভোক) গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে র বিজ্ঞান, সাধারণ গ্রুপ ও মুজাব্বি দ মাহির গ্রুপে র যেকোন টি।
(ক) এসএসসি (ভোক)/দাখিল (ভোক) গ্রুপ হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে র বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপে র যেকোন টি।

যেকোন বিভাগ (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ গার্হস্থ্য অর্থনীতি ও সংগীত গ্রুপের যেকোন টি।

সকল বোর্ডের সকল গ্রুপ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ইসলামিক স্টাডিজ-এ আবেদন করতে পারবে।

Application Instruction
ভর্তির আবেদন দাখিলের জন্য করণীয়

অনলাইন আবেদন পোর্টালে মাধ্যমে আবেদন করতে হবে, এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ধাপসমূহ অনুসরণ করতে হবে।

অনলাইন আবেদন পোর্টালে Account তৈরি

(ক) অনলাইন আবেদন পোর্টাল (www.xiclassadmission.gov.bd) এর সাইন আপ link-এ ক্লিক করলে EDU আইডি এর জন্য আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

(খ) প্রথমে শিক্ষার্থীর ধরন নির্বাচন করতে হবে। পরবর্তীতে বোর্ডের নাম, পাশের সাল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, এবং রোল নম্বর প্রদান করে জমা (Submit) দিলে শিক্ষার্থীর বিস্তারিত তথ্য দেখা যাবে।

(গ) মোবাইল নম্বর এবং জন্ম নিবন্ধন নম্বর (ঐচ্ছিক) প্রদান করে জমা (Submit) দিলে EDU আইডি তৈরি হবে, এবং একটি অস্থায়ী পাসওয়ার্ড প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে প্রেরণ করা হবে।

(ঘ) EDU আইডি (ইউজারনেম হিসাবে) এবং মোবাইলে প্রাপ্ত অস্থায়ী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইন পোর্টালে প্রথমবার লগইন করা যাবে।

(ঙ) প্রথমবার লগইন করা পর শিক্ষার্থীকে নিজের পছন্দমত পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে।

আবেদন দাখিল করা

(ক) লগইন করে Student Dashboard এ যেতে হবে। এবার Dashboard এর সাইডবারের আবেদন মেনু থেকে “আবেদন ফি জমা দিন”-এ ক্লিক করলে পেমেন্ট গেইটওয়ে গুলো (সোনালি সেবা এবং SSLCOMMERZ) দেখা যাবে।

(খ) যেকোনো একটি পেমেন্ট গেইটওয়ের মাধ্যমে ব্যাংক, কার্ড, অথবা মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন, নগদ, রকেট, ইত্যাদি) ব্যবহার করে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।

(গ) আবেদন ফি প্রদানের পর সাইডবার থেকে “আবেদন করুন”-এ ক্লিক করলে আবেদন জমা দেওয়ার উইন্ডো দেখা যাবে। এই উইন্ডো থেকে পছন্দমত কলেজ বা ছাত্র/ছাত্রী সেট করে আবেদন জমা দিতে হবে। লক্ষ্য নিতে যে, শুধুমাত্র ওই সমস্ত শিফট/ভার্সনর্স/গ্রুপ সমূহই শিক্ষার্থী তার আবেদনে সময় দেখতে পাবে যে গুলি বা ছাই করা নতুনতম যোগ্যতা তার রয়েছে।

(ঘ) আবেদন করার পর সাইডবার থেকে “আবেদন দেখুন”-এ ক্লিক করলে আবেদনকৃত কলেজ সমূহ ও পছন্দক্রম দেখা যাবে।

(ঙ) আবেদনকারী চাইলে তার আবেদনসমূহ সংশ্লিষ্ট তথ্য দিসহ Download করে প্রিন্ট (Print) করতে পারবে।

কোটা (প্রযোজ্যক্ষেত্রে)

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী দের সন্তানদের জন্য ১% (অনলাইন আবেদন পোর্টালে EQ1 হিসাবে চিহ্নিত) এবং অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী দের সন্তানদের জন্য ১% (অনলাইন আবেদন পোর্টালে EQ2 হিসাবে চিহ্নিত) সহ মোট ২% শিক্ষা কোটা (EQ) মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরে র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য নূন্যতম যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে সংরক্ষিত থাকবে। কোটার আওতায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী কে কাঙ্খিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সন Select করার সময় EQ1/EQ2 কোটা Select করতে হবে। যদি আবেদনকারী সংখ্যা বেশি হয় সেক্ষেত্রে তারা তাদের নিজেদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। উপরোক্ত কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এ আসনসমূহ কার্যকরী থাকবে না। ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী এর দপ্তর প্রধানের প্রত্যয়নপত্র দেখাল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিজস্ব দপ্তরের প্রধান হলে সেখ্যেত্রে তাঁর একধাপ উপরে র উর্ধ্বতর্ধ্ব ন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দেখাল করতে হবে। শিক্ষা কোটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী যে মহানগর/বিভাগ/জেলা যেখানে কর্মরত থাকেন তার সন্তান সে মহানগর/বিভাগ/জেলা যেখানে ভর্তির জন্য বিবেচনা হবে। পরবর্তীতে কলেজ/মাদ্রাসা দ্বারা যাচাই কর্তৃক যাচাই করা হবে বিধায় কোটার অপশন (Option) দেওয়ার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য Freedom Fighter কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী Freedom Fighter কোটা Select করবে। যদি আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হয় সেক্ষেত্রে তারা তাদের নিজেদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। উপরোক্ত কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এ আসন সংরক্ষিত থাকবে না। এই কোটায় আবেদনের সময়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়) কর্তৃক ইস্যু কৃত মূল সনদ পত্র থাকতে হবে এবং পরবর্তীতে কলেজ/মাদ্রাসা দ্বারা যাচাই কর্তৃক যাচাই করা হবে বিধায় কোটার অপশন (Option) দেওয়ার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

যে সকল প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কোটা (SQ) অনুমোদিত আছে – সে সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্গের সন্তানগণ এই বিশেষ কোটার জন্য আবেদন করতে পারবে। এই কোটার আওতায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী কে কাঙ্খিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রুপ, শিফট এবং ভার্সনর্স Select করার সময় SQ কোটা Select করতে হবে। উল্লেখ্য যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজসমূহ বিশেষ কোটা আবেদনকারীদের আবেদন নিশ্চিত করবেন।

পছন্দক্রম পরিবর্তন

একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বার অনলাইন আবেদন পোর্টালে লগইন করে কলেজের পছন্দক্রম এবং কলেজ পরিবর্তন করতে পারবে।

Calculation of Merit
মেধামান নির্ধারণ

৩.১ একাদশ/সমমান শ্রেণি তে ভর্তির নীতিমালা-২০২৪ অনুসরণপূর্বক ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়া করণ ও মেধামান নির্ধারণ করা হবে। আবেদনকারীদের বিভিন্ন কলেজ/মাদ্রাসা/সমমানের প্রতিষ্ঠানে আবেদন ঐ প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট গ্রুপ/শিফট/ভার্সনর্স, আসন সংখ্যা, তার প্রদত্ত পছন্দক্রমের ভিত্তিতে এবং নিম্ন বর্ণিত (ধারা-৩.২-৩.৪) নিয়মানুযায়ী মেধামান নির্ধারণপূর্বকরব একজন আবেদনকারী শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত করা হবে।

৩.২ কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৩% আসন সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা মেধার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। মোট ৫% আসন মুক্তি যোগ্য সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মরত/কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১% এবং অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত/কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১% সহ মোট ২% কোটা (EQ) মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা এবং ক্ষেত্রে সংরক্ষিত থাকবে। উপর্যুক্তর্যুক্ত কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে কোটার আসন কার্যকরী হবে না, অর্থাৎ উক্ত আসনে মেধার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে। যদি আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হয় তাদের মধ্যে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। ভর্তির সময় সংশ্লিষ্ট কর্মরত/কর্মচারী দপ্তর প্রধানের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মরত/কর্মচারী নিজস্ব দপ্তরের প্রধান হলে সেখ্যাতাঁর একধাপ উপরের উর্ধ্বতর্ধ্বন কর্মরতার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। শিক্ষা কোটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মরত/কর্মচারী যে মহানগর/বিভাগ/জেলায় কর্মরত/থাকবে না তার সন্তান সে মহানগর/বিভাগ/জেলায় ভর্তির জন্য বিবেচিত হবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র ভর্তির সময় দাখিল করতে হবে। যে সকল শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট বোর্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। প্রবাসীদের সন্তান/বি.কে.এস.পি. থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী/খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভাগীয় বা জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বোর্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বোর্ড উপযুক্ত প্রমাণপত্র যাচাই বা ছাই পূর্বকর্ব শিক্ষার্থীকে কাঙ্খিত প্রতিষ্ঠানে (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত নূন্যতম জিপিএ এক্ষেত্রে শীর্ষস্থানে প্রথমে ভর্তি হবে) ভর্তির ব্যবস্থা নিবে।

৩.৩ (ক) এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-র ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

(খ) সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোসর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করা হবে। তাছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করা হবে।

(গ) বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণনায় গণনীয় ও উচ্চতর গণনীয় গণনীয় এবং জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে।

(ঘ) দফাগদের বিধান সত্যে ও যদি প্রার্থী বা ছাইকল্পে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন না হয়, তবে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে।

(ঙ) মানবিক ও ব্যবসা যৌ শিক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর বিষয়টি নিম্নত্বে পর্যায়ে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষযে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করে ভর্তির সম্ভাবনা প্রথমে মিলিত হবে।

(চ) এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপের ক্ষেত্রে জিপিএ একই হলে সর্বমোসর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী বা ছাইকল্পে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষযে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করে ভর্তির সম্ভাবনা মিলিত হবে।

৩.৪ স্কুল এন্ড কলেজ/সমমানের প্রাতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী গণ প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে স্বস্বভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্বস্বভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শুন্য আসনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ধারা ৩.০ এর উপবিধান ৩.২ ও ৩.৩ অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

Xi Class Admission Result
ভর্তির ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, প্রকাশ ও মাইগ্রেশণ

মোট ৩ (তিন) টি পর্যায়ে ফলাফল প্রক্রিয়া করা হবে। প্রথমিক নির্ধারণ সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া চালনা করা হবে, অর্থাৎ প্রথমিক নির্ধারণের পরেও সর্বোচ্চ ২ (দুই) বা র একজন শিক্ষার্থীর কলেজ নির্বাচন পরিবর্তন হতে পারে। প্রতি পর্যায়ে পছন্দক্রমানুযায়ী অটো মাইগ্রেশন হবে এবং মাইগ্রেশন সর্বদার্ব দাই পছন্দক্রমানুসারে উপরের দিকে যাবে।

একজন শিক্ষার্থী তার আবেদনের সময় দেয়া কলেজ পছন্দক্রম ও এসএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল, কোটা, ইত্যাদির ভিত্তিতে শুধুমাত্র ১টি কলেজই নির্বাচিত হবে।

নির্বাচিত শিক্ষার্থী নিজেই অনলাইন আবেদন পোর্টালের মাধ্যমে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও অন্যান্য ফি বাবদ ৩৩৫/- (তিরিশ পাঁচ) টাকা জমা দিয়ে নির্বাচন নিশ্চয়ন করবে। উল্লেখ্য যে, প্রত্যেক নির্বাচিত শিক্ষার্থীকে অবশ্যই ৩৩৫/- (তিরিশ পাঁচ) টাকা জমা দিয়ে নির্বাচন নিশ্চয়ন করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীরা নির্বাচন ও আবেদন বা তিল হয়ে যাবে। আবেদন বা তিলকৃত শিক্ষার্থীরা ইচ্ছা করলে পরবর্তী পর্যায়ের জন্য পুনরায় আবেদন ফি জমা দিয়ে নতুন ভাবে আবেদন করতে পারবে।

যে সকল শিক্ষার্থী আবেদনকৃত কোন কলেজে সিলেকশন পাবেনা তারা পুনরায় আবেদন ফি ব্যাতীত এবং যারা ইতোপূর্বে কোন কলেজে আবেদন করেনি তারা আবেদন ফি জমা দেয়া সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।

ফলাফল প্রক্রিয়া করনের পর নির্দিষ্ট তারিখে শিক্ষার্থীদেরকে SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল জানানো হবে। তাছাড়াও শিক্ষার্থীগণ ভর্তির অপেক্ষায় ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd থেকে ভর্তির বিস্তারিত ফলাফল জানতে পারবে।

কলেজ ভর্তি

নির্ধারিত তারিখে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণপূর্বক নিশ্চয়িত শিক্ষার্থীদের তালিকা ভর্তি ওয়েবসাইট www.xiclassadmission.gov.bd দিয়ে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ডাউনলোড করে তানোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন করবেন। অতঃপর ভর্তির জন্য নির্ধারিত তারিখে শিক্ষার্থী কলেজে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অনুমোদিত ফি জমা দিয়ে ভর্তি চূড়ান্ত করবে।